সাভার প্রতিনিধি ।। সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছে ভরসার নাম মানবতার ফেরিওয়ালা চেয়ারম্যান ফকরুল আমল সমর,দেশে যখন বিভিন্ন স্থানে জনপ্রতিনিধিদের অনিয়মের সংবাদ প্রচার হচ্ছে। সেখানে তিনি সাধারণ মানুষদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত তাই প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ১৫ জন দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে নগদ ২ লাখ টাকা ও ৪ প্রতিবন্ধী-কে হুইলচেয়ারসহ ৬ নারী-কে ঈদ উপহার হিসাবে সেলাইমেশিন বিভিন্ন জিনিস বিতরণ করেছেন,সে মানবতার ফেরিওয়ালা তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফকরুল আমল সমর।
সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে সাভারের তেতুঁলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে নগদ ২ লাখ টাকা ও ৪ প্রতিবন্ধী-কে হুইলচেয়ারসহ ৬ নারী-কে ঈদ উপহার হিসাবে সেলাইমেশিন বিভিন্ন জিনিস বিতরণ করা হয়।
সেলাই-মেশিন পেয়ে আনন্দে কেঁদে ইয়াসমিনের মা জোবেদা বেগম আমাদেরবাংলাদেশ ডটকমের প্রতিবেদক-কে বলেন,আমার মেয়ে ইয়াসমিনের স্বামী-সন্তান নেই। স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার মেয়ে আমার কাছেই থাকে। তার এক পা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে কোন জায়গায় কাজও করতে পারতো না। আজ সেই মেয়েকে একটা সেলাই মেশিন দিয়েছেন মানবিক চেয়ারম্যান। আজ থেকে আমার মেয়ের আর কোন কষ্ট থাকবো না। এমন করেই কথা গুলো বলছিলেন সেলাইমেশিন উপহার পাওয়া ইয়াসমিনের মা জোবেদা বেগম।
এসময় জোবেদা আরোও বলেন,আমার মেয়ের স্বামী সন্তান কেউ নেই। স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার মেয়ে ইয়াসমিন আমার কাছে এসে থাকা শুরু করে। আমার ছেলের বউয়েরা মেয়ে ইয়াসমিন-কে গ্রহণ করতে পারে নি। তার সাথে তেমন ভাল আচরণ করতো না কেউ। সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চেয়েছিল কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তার একটা পা ভেঙে যায়। তখন আমি মানুষের কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে মেয়ে ইয়াসমিন-কে চিকিৎসা করায় এখন সে কিছু-টা সুস্থ তবে সে কোন কাজ করতে পারে না । কিন্তু আজ যখন চেয়ারম্যান একটা সেলাই মেশিন দিয়েছেন এখম আমার অনেক আনন্দ হচ্ছে। আমার মেয়ের আর কোন কষ্ট থাকবে না। আমারও কোন কষ্ট হবে না। আল্লাহ্ চেয়ারম্যান-কে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক এই দোয়া করি আল্লাহর কাছে।
সেলাই-মেশিন পেয়ে ইয়াসমিন বলেন,আমার অনেক ভাল লাগছে। আমি হাতের কাজ শিখেছিলাম। কিন্তু সেলাই-মেশিন না থাকার কারণে আমি হাতের কাজও ঠিকটাক করতে পারি না। সেলাই-মেশিন আমার একটা অনেক দরকার ছিলো। আজ তা চেয়ারম্যান দিয়েছে। আমি তার জন্য দোয়া করি।
এছাড়াও শ্রবন মেশিন পেয়ে চয়নীকা রাজবংশী বলেন,আমি আপনার কথা ক্লিয়ার শুনতে পাচ্ছি। এখন তো অনেক সুন্দর কথা শুনতে পাচ্ছি। আগে কিছুই শুনতে পাইতাম না অনেক কম শুনতে পেতাম। আল্লাহ্ যেন আপনাকে দীর্ঘজীবী করেন চয়নীকা আনন্দে কেঁদে কেঁদে বলেন আমি এতো ক্লিয়ার শুনতে পাবো আগে কখনও ভাবি নি।
উক্ত বিষয়ে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের মানবতার ফেরিওয়ালা চেয়ারম্যান ফকরুল আলম সমর এর কাছে জানতে চাইলে আমাদেরবাংলাদেশ ডটকমের প্রতিবেদক-কে তিনি বলেন,আমি মানুষ- কে সহযোগিতা করতে পারলে অথবা কারোর কোন কাজে আসলে নিজের মনের কাছে অনেক তৃপ্তি পাই।
যখন মানুষ উপকৃত হয় তাদের আবেগ দেখার জন্য আমি সব সময় আগ্রহে থাকি। আজ যারা ঈদ উপহার পেয়েছেন তারা আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া করেছেন। এটাই আমার কাছে অনেক পাওয়া। এসময় তিনি আরোও বলেন,অসহায়দের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা।
আমাদেরবাংলাদেশ ডটকম/জাহাঙ্গীর আলম রাজু